
Father: Dr. Mohammad Nurul Huda
Mother: Akter Jahan
Spouse: Lutfun Nahar Leena
Siblings: 7 Brothers, 2 Sisters
Children: 1 Daughter and 1 Son
Email: barrister.monwar@gmail.com
Place of Birth: Muradpur, Chattagram
জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যানের প্রস্তাবনা জলাবদ্ধতা নিরসনে নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যানের ব্যারিস্টার মনোয়ার এক বিবৃতি তে বলেছেন, অনতিবিলম্বে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেন বর্ষায় চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা/ জলজট স্থায়ীরূপ ধারণ করেছে, প্রতি বছরই নগরবাসীকে এ সমস্যার সম্মূখীন হতে হচ্ছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে মেগাপ্রকল্প নেয়া হলেও কার্যকর কোনো ফল এখনও আসেনি।
যার ফলে বর্ষার মৌসুমে ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় নগরবাসীকে নাকাল হতে হচ্ছে। ‘বর্ষা শহরও আশপাশের মানুষের জন্য অভিশাপ হিসেবে আসে। মাঝারি ধরনের বর্ষায়ও হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যায়, সড়কসহ একাধিক এলাকা। এতে চট্টগ্রামের হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে প্রতি বছর। চট্টগ্রাম শহরকে জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেতে মুক্তি দিতে কার্যযকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
চট্টগ্রামে রাস্তা উঁচু করে জলাবদ্ধতা নিরসন হয়নি। উপরন্তু সাধারণ মানুষের তিলে তিলে গড়া বাড়িগুলোকে অকেজো করে ফেলা হয়েছে। বিশেষ করে নীচতলা। বাধ্য হয়ে এগুলো পুন: নির্মাণ সংস্কার করতে গিয়ে আবারও বাড়ির মালিকেরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ভাড়াটিয়ারা বিরাট ক্ষতির মাসুল গুনছে। নগরীতে ৭০টি খাল ছিল ১৯৬৯ সালের এক জরিপ অনুযায়ী। বেশ কিছু খাল হয়ে গেছে বিলীন বা ভরাট , অবৈধ দখলদারদের কবলে পড়েছে খাল ড্রেনগুলোর অনেক অংশের উভয় পাড়ে।
অপরিকল্পিত নগরায়ন জলাবদ্ধতার ঝুঁকির অন্যতম কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন। অপরিকল্পিতভাবে অবকাঠামো গড়ে তোলায় আগ্রাবাদ, হালিশহর, বাকালিয়া, মোহরা, খাতুনগঞ্জ ও চাক্তাইসহ নগরীর নিম্নাঞ্চল শুষ্ক মৌসুমেও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। তিনি দু:খ প্রকাশ করে বলেন, ১৯৯৫ সালের সংশোধিত মাষ্টার প্লান
*জলাবদ্ধতা নিরসনের ড্রেনেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ২০ বছর কোন উদ্যোগ সিটি কর্পোরেশন বা সিডিএ নেয়নি। ২০১৫ সালে আমরা সর্বস্তরের নাগরিকদের নিয়ে নাগরিক ফোরাম গঠন করে আন্দোলনের পর সরকারের টনক নড়ে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ১৯৯৫ সালের সংশোধিত মাষ্টার প্লানের আলোকে মেগাপ্রকল্প নেয়া হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য, কিন্তু আজ ২০২৩ সালে মাঝামাঝি এসেও আমরা দেখছি প্রকল্পের কাজ
সম্পন্ন হয়নি ।
এই প্রেপ্রেক্ষাপটে জনগণের দাবী: