BARRISTER MONWAR HOSSAIN
Menu
  • BARRISTER MONWAR HOSSAIN
  • Profile (Bangla)
  • Profile (English)
  • Book
  • Gallery
  • Videos
  • Blogs

Father: Dr. Mohammad Nurul Huda

Mother: Akter Jahan

Spouse: Lutfun Nahar Leena

Siblings: 7 Brothers, 2 Sisters

Children: 1 Daughter and 1 Son

Email: barrister.monwar@gmail.com

Place of Birth: Muradpur, Chattagram

A BOOK OF HONOUR

"INDOMITABLE MONWAR HOSSAIN"

Edition 2 (Click To Read)

Edition 1

Menu
  • Blog
কালুরঘাট নতুন সেতু নিয়ে রেল সচিবের সাম্প্রতিক বক্তব্য।

কালুরঘাট নতুন সেতু নিয়ে রেল সচিবের সাম্প্রতিক বক্তব্য বিভ্রান্তিকর, দেশবাসীকে দেয়া আগের ঘোষণাগুলির সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ, প্রতিশ্রুতির বলখেলাপ। এরা যা বলে তাই কি মেনে নিতে হবে? অতীতে এরা কি সত্য কথা বলেছেন? রেল মন্ত্রী এসে জরাজীর্ণ বর্তমান সেতুর উপর দাঁড়িয়ে বলেছিলেন ২০০১ সালে নতুন সেতুর কাজ শুরু হবে । এখন উনারই সচিব বলছেন ২০২৮ সালে সেতু হবে! এই কথা কিসের ভিত্তিতে আসলো? সাতগুণ বড় পদ্মা সেতু কতদিন লাগলেন? দোহাজারী -কক্সবাজার রেল যোগাযাগ শহরের সাথে সংযাগ করতে এতদিন পরে হঠাৎ কেন মনে পড়লো পুরাতনটাকে সংস্কার করার ?
তিন বছর আগে শুরু করলে এতদিনে নতুন সেতু হয়েই যেতো সম্ভবত দুই তিন হাজার কোটি টাকার মধ্যে। আর ২০২৮ সালে করবে ( যদি আদৌ হয়) ১৪-১৬ হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এইটা চূড়ান্ত হচ্ছে, হয়নি, সামনের বছর শুরু হবে, এসব বাণী আর কত শুনবো?
যারা এত চালবাজি করছে তারা কি জানেন তারা এভাবে দেশের কত ক্ষতি করছেন? চট্টগ্রাম ৮ আসনে সম্প্রতি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরদিন নোমান আল মাহমুদ সাহেবকে আমি বলেছিলাম, খেয়াল রাখবেন যেন কালুরঘাট নতুন সেতু নির্মাণ অর্থনৈতিক সংকটের নামে সরকারের অগ্রাধিকার তালিকা থেকে বাদ না যায় এ বিষয়ে কথা বলার জন্য । এই উদ্দেশ্যে আমি নাগরিক ফোরামের উদ্যোগে গত নভেম্বরে গণ অনশন করে দাবীটিকে জাতীয় ভাবে সামনে নিয়ে এসেছিলাম এবং ফলে গত ৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জনসভা থেকে কালুরঘাট নতুন সেতুটি প্রাধান্য পেয়েছিলো।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এমপি মোসলেম উদ্দিন ঘোষণা করেছিলেন এ বছরের মার্চ মাসে সনতুন সেতুর কাজ শুরু হবে, এরমধ্যে একনেকের অনুমোদন ইত্যাদি শহয়ে যাবে।।সেই মন্চে প্রধানমন্ত্রীও আশ্বাস দিয়েছিলেন হবে বলে । কিন্তু দু:খের বিষয়, কয়েকদিন আগে রেল সচিবের দেয়া তথ্য থেকে দেশবাসী চরম হতাশ ও বিভ্রান্ত হয়েছে । আগে বলা হয়েছে, কোরিয়ার সরকার ও ব্যাংক অর্থায়নে প্রস্তুত, এখন বলা হচ্ছে চুক্তি স্বাক্ষরে সময় লাগছে। আর একটি বিষয়, পুরাতন সেতু মেরামত করাটা কোন অবস্থাতেই পাশে একটি নতুন আধুনিক মানের সেতুর বিকল্প নয়। মনে হচ্ছে, সুস্পষ্ট ঘোষণা ছাড়া নতুন সেতু নির্মাণটা আরও বিলম্বিত হতে পারে, অতীতের নাটকের পুনরাবৃত্তি হবে।
স্পস্টভাবে বলা দরকার, নতুন সেতুটি চট্টগ্রামবাসী কোন দয়া বা ভিক্ষা হিসেবে চাই না। চট্টগ্রাম থেকে দেশের রাজস্বের সিংহভাগ আসে। এটা আমাদের ন্যায্য পাওনা যার থেকে অন্যাযভাবে চট্টগ্রামকে বন্চিত করা হচ্ছে।এর জন্য সোচ্চার হওয়াটা বিবেকের দাবী।

Barrister Monwar Hossain