BARRISTER MONWAR HOSSAIN
Menu
  • BARRISTER MONWAR HOSSAIN
  • Profile (Bangla)
  • Profile (English)
  • Book
  • Gallery
  • Videos
  • Blogs

Father: Dr. Mohammad Nurul Huda

Mother: Akter Jahan

Spouse: Lutfun Nahar Leena

Siblings: 7 Brothers, 2 Sisters

Children: 1 Daughter and 1 Son

Email: barrister.monwar@gmail.com

Place of Birth: Muradpur, Chattagram

A BOOK OF HONOUR

"INDOMITABLE MONWAR HOSSAIN"

Edition 2 (Click To Read)

Edition 1

Menu
  • Blog
বোয়ালখালীর্ তিন বীর মুক্তিযোদ্ধা:

চট্টগ্রামে বোয়ালখালীর কধুরখীল/ইমাম নগরে আমাদের বাড়ির ( আমাদের দাদা সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিমের বাড়ি বলে সুপরিচিত) বারান্দায় ডান থেকে - উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সেলিম, আমি, ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল আজম শেপু, বীর মুক্তিযোদ্ধা, দুবাই ও ইরানের সাবেক শিপিং জেনারেল ম্যানেজার
মোহাম্মদ সেলিম যিনি মুক্তিবাহিনীর মিয়া ভাই বলে সুপরিচিত, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক গার্মেন্টস ব্যবসায়ী সৈয়দুল আলম যিনি সম্প্রতি আকস্মিকভাবে ইন্তেকাল করেছেন এবং আমার ইমিডিয়েট বড় ভাই, চট্টগ্রাম ফার্স্ট ডিভিশনের প্রখ্যাত সাবেক ফুটবলার, বিসিআইসির সাবেক জিএম, চট্টগ্রাম ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি শহিদুল ইসলাম । উল্লেখ্য যে, বীর মুক্তিযোদ্ধা মিয়া ভাই ও সৈয়দুল আলম প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে সমগ্র বোয়ালখালীতে সুপরিচিত, কিন্তু তারা কেউ মুক্তিযোদ্ধা সনদ নবায়ন করেননি এবং সর্রকারী ভাতাও নেননি । নতুন তালিকাভুক্ত না হওয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দুল আলমের জানাজার আগে বা শেষে কোন সরকারী গার্ড অব অনার দেয়া হয়নি, কিন্ত আমি তাঁর জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ ব্যর্থতার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছিলাম, তবে সবাইকে নিয়ে একসাথে তাঁকে স্যালুট দিয়েছিলাম।
অথচ আমাদের ছোটকাল থেকেই মহান মুক্তিযুদ্ধে এই তিনজন মুক্তিযোদ্ধাদের অনেক বীরত্বপূর্ণ কাহিনী শুনতাম । বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম একজন সাবেক মাদ্রাসা ছাত্র ও কোরানে হাফেজ হিসেবে তারাবীর নামায পড়া্তেন। হয়ে গেলেন মুক্তিযোদ্ধা। পরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের ইতিহাসে মাষ্টার ডিগ্রী পাশ করেন। চট্টগ্রাম শহরে আমাদের বাড়ীতে তাঁর ছাত্র জীবন কেটেছিলো। আমার মায়ের চাচাতো ভাই হন। বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দুল আলমের পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে, ফ কা চৌধুরীর রাজাকার বাহিনীর হাতে নির্যাতিত হওয়া ও মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে আসার ঘটনা শুনেছিলাম। আর বীর মুক্তিযোদ্ধা মিয়া ভাইদের সাহসী কিছু অপারেশনের কথাও শুনেছিলাম। আমার মেজ ভাই বীর কিশোর মুক্তিযোদ্ধা ও চট্টগ্রামের প্রখ্যাত ফুটবলার সাইফুল ইসলাম ও শহীদ বীর কিশোর মুক্তিযোদ্ধা এখলাছ তাঁদের কাছ থেকে দায়িত্ব নিয়ে রাজাকারদের উপর বোমা ছুড়তে গিয়ে এখলাছ ধরা পড়েন ও ঐ রাতেই তাঁকে ফ কা বাহিনী হত্যা করে। সাইফুল ভাই একজন স্পোর্টসম্যান হওয়ায় অতি দ্রুত সরে গিয়েছিলেন। তাঁরও আরো কিছু সাহসী ঘটনা এরপরও ছিল। আমার বড় ভাই সৈয়দ হারুনও বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আমার বাবা সমস্ত ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসক হিসেবে দিন রাত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা দিয়ে পাক সেনাদের বুদ্ধিজীবী হত্যার কালো তালিকায় তাঁর নাম যুক্ত হয়ে যায়। এঁরা কেঊ মুক্তিযোদ্ধা সনদ নবায়ন করেননি। আমার বাবা কখনো মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট এর জন্য কাঊকে ধর্ণা দেননি। দুঃখজনক হলেও সত্য এ ধরনের মুক্তিযোদ্ধারা তালিকাভুক্ত্ হননি অথচ মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অমুক্তিযোদ্ধাদের নামের নাকি ছড়াছড়ি । সেদিন বোয়ালখালীতে সৈয়দুল আলমের জানাজার আগে দেয়া বক্তব্যে আমি বলেছিলাম, এই ধরনের সুপরিচিত মুক্তিযোদ্ধারা তালিকাভুক্ত হতে কেন ধর্ণা দেবেন? বরং এদেরকে তালিকা মুক্ত করার জন্য কতৃপক্ষ তাদের কাছেই তো যাওয়া উচিত ছিল । এঁরা দুজনেই আমার পিতার দিক থেকে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের । উল্লেখ্য, তাঁরা দুজনেই ছাত্র জীবনে চীনপন্হী বামনেতা মাওলানা ভাসানীর ( যিনি আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ) অনুসারী রাশেদ খান মেননের নেতৃত্বে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের নেতা ছিলেন।আর তাঁদের বিপরীতে ছিলো সোভিয়েট ইউনিয়ন পন্হী মতিয়া চৌধুরীর নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন । এরা সবাই মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছেন ।
ছবিটি গত বছরের ।

Barrister Monwar Hossain